Friday, September 29, 2017

Audio Bangla Waz ১৫ই শাবান মাস অর্থাৎ শবে বরাত উপলক্ষে কিছু জাল হাদীস।



সহীহ আক্বীদা ভিত্তিক বাংলা ওয়াজ শুনতে ভিজিট করুন—
https://www.youtube.com/c/kazimustafa
সহীহ আক্বীদার বাংলা কিতাব,তাফসীরুল কোরআন, হাদীসের কিতাব এবং ইসলামিক বই ফ্রি ডাউনলোড করতে ভিজিট করুন—
https://kazimustafabd.blogspot.com/

বাংলাভাষায় সহীহ আক্বীদা ভিত্তিক ইসলামিক বই, ভিসিডি, ডিভিডি বিনা মূল্যে সংগ্রহ করতে এবং যে কোন মাসয়ালা-মাসায়েল জানার জন্য যোগাযোগ করুন- Sheikh Rafiqul Islam Madani Islamic Cultural Center Badr –Al Madina-Saudi Arab         শাইখ রফিকুল ইসলাম মাদানী -    ইসলামিক কালচারাল সেন্টার বদর -আল মদিনা-সৌদি আরব Phone: 014 3323500 Mobile-0558703100

Monday, September 18, 2017

বইঃ আদর্শ বিবাহ ও দাম্পত্য

বইঃ আদর্শ বিবাহ ও দাম্পত্য

 

বই: আদর্শ বিবাহ ও দাম্পত্য
লেখক: শায়খ আব্দুল হামীদ আল ফাইযী আল-মাদানী
লিসান্স: মদীনা বিশ্ববিদ্যালয়, সৌদিআরব
(সৌদী আরবের আল-মাজমাআ অঞ্চলের দাওয়াত সেন্টারে কর্মরত দাওয়াত-কর্মী এবং বাংলা ভাষার প্রসিদ্ধ লেখক ও অনুবাদক।)

 





সংক্ষিপ্ত বর্ণনা: এ বইয়ে লেখক কনে দেখা, দেন মোহর, বিবাহ বন্ধন, অলীমাহ, স্বামী-স্ত্রীর পরস্পর অধিকার, তালাক, ইদ্দত, ইস্তিহাযা, নিফাস, গর্ভ-ধারণ ও জন্মনিয়ন্ত্রণ ইত্যাদি বৈবাহিক ও দাম্পত্য জীবনের যাবতীয় বিষয়ে খুব সুন্দর আলোচনা করেছেন।


বইটি ডাউনলোড করুন (৮২৪ কিলোবাইট) 


শিয়া আকিদার অসারতা




শিয়া আকিদার অসারতা




[ বাংলা – Bengali – بنغالي ]

শাইখ মুহাম্মদ আবদুস সাত্তার আত-তুনসাব

অনুবাদ : মো: আমিনুল ইসলাম
সম্পাদনা : আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া

2011 - 1432

﴿ بطلان عقائد الشيعة ﴾

« باللغة البنغالية »
محمد عبد الستار التونسَوي

ترجمة: محمد أمين الإسلام

مراجعة: أبو بكر محمد زكريا

2011 - 1432

بسم الله الرحمن الرحيم

ভূমিকা

সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য; আমরা তাঁর প্রশংসা করি, তাঁর নিকট সাহায্য ও ক্ষমা প্রার্থনা করি; তাঁর প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করি; তাঁর উপর ভরসা করি; আর আমাদের নফসের জন্য ক্ষতিকর এমন সকল খারাপি এবং আমাদের সকল প্রকার মন্দ আমল থেকে আল্লাহর নিকট আশ্রয় চাই। সুতরাং আল্লাহ যাকে পথ প্রদর্শন করেন, তাকে পথভ্রষ্ট করার কেউ নেই; আর যাকে তিনি পথহারা করেন, তাকে পথ প্রদর্শনকারীও কেউ নেই। আর আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, একমাত্র আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ নেই, তাঁর কোন শরীক নেই এবং আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আমাদের নেতা মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর বান্দা ও রাসূল, যাকে তিনি সত্যসহকারে কিয়ামতকে সামনে রেখে সুসংবাদ দাতা ও ভীতি প্রদর্শনকারীরূপে পাঠিয়েছেন। যে ব্যক্তি আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের আনুগত্য করবে, সে সঠিক পথ পাবে; আর যে ব্যক্তি তাঁদের অবাধ্য হবে, সে তার নিজেরই ক্ষতি করবে এবং সে আল্লাহর কোন ক্ষতি করতে পারবে না।

অতঃপর...

সহীহ হাদীসের আলোকে সাওম বিশ্বকোষ (৩য় পর্ব)


সহীহ হাদীসের আলোকে সাওম বিশ্বকোষ (৩য় পর্ব)










তৃতীয় অধ্যায়
সালাতুত তারাবীহ

রমযানে ঈমান ও সাওয়াবের আশায় যে রাত জেগে ইবাদত করে তার ফযীলত:

আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,

«مَنْ قَامَ رَمَضَانَ إِيمَانًا وَاحْتِسَابًا، غُفِرَ لَهُ مَا تَقَدَّمَ مِنْ ذَنْبِهِ»

“যে ব্যক্তি রমযানের রাতে সওয়াবের আশায় রাত জেগে ইবাদত করে, তার পূর্বের গুনাহ মাফ করে দেওয়া হয়”।[244]

সহীহ হাদীসের আলোকে সাওম বিশ্বকোষ (২য় পর্ব)



সহীহ হাদীসের আলোকে সাওম বিশ্বকোষ (২য় পর্ব)










শা‘বান মাসের সাওম

‘আয়েশা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন,

«كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ " يَصُومُ حَتَّى نَقُولَ: لاَ يُفْطِرُ، وَيُفْطِرُ حَتَّى نَقُولَ: لاَ يَصُومُ، فَمَا رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اسْتَكْمَلَ صِيَامَ شَهْرٍ إِلَّا رَمَضَانَ، وَمَا رَأَيْتُهُ أَكْثَرَ صِيَامًا مِنْهُ فِي شَعْبَانَ»

“রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একাধারে (এত বেশি) সাওম পালন করতেন যে, আমরা বলাবলি করতাম, তিনি আর সাওম পরিত্যাগ করবেন না। (আবার কখনো এত বেশি) সাওম পালন না করা অবস্থায় একাধারে কাটাতেন যে, আমরা বলাবলি করতাম, তিনি আর (নফল) সাওম পালন করবেন না। আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে রমযান ব্যতীত কোনো পুরা মাসের সাওম পালন করতে দেখি নি এবং শা’বান মাসের চেয়ে কোনো মাসে বেশি (নফল) সাওম পালন করতে দেখি নি”।[164]

সহীহ হাদীসের আলোকে সাওম বিশ্বকোষ (১ম পর্ব)


সহীহ হাদীসের আলোকে সাওম বিশ্বকোষ 

(১ম পর্ব)















সূচিপত্র

ক্রম বিষয়

1. ভূমিকা

2. প্রথম অধ্যয়: সাওমের পরিচয়, ইতিহাস ও তাৎপর্য

3. সাওমের পরিচয়, সাওমের অভিধানিক অর্থ

4. সাওমের ইতিহাস ও তাৎপর্য, যুগে যুগে বিভিন্ন ধর্ম ও সম্প্রদায়ে সাওম

5. সাওমের তাৎপর্য

6. দ্বিতীয় অধ্যয়: সহীহ হাদীসের আলোকে সাওম

7. রমযানের সাওম ফরয হওয়া প্রসঙ্গে

Sunday, September 17, 2017

বই – কবীরা গুনাহ

বই কবীরা গুনাহ

সংকলন: ইমাম শামসুদ্দীন আয-যাহাবী ( রহ.)
অনুবাদক: জাকের উল্লাহ আবুল খায়ের
সম্পাদক: আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান
প্রকাশনায়: ইসলাম প্রচার ব্যুরো, রাবওয়াহ, রিয়াদ

 





শিরোনাম: কবীরা গুনাহ

সংক্ষিপ্ত বিবরণ:: কবীরা গুনাহ : ইমাম শামসুদ্দীন আয যাহবী সংকলিত প্রসিদ্ধ গ্রন্থ মুখতাসার আল কাবায়ের, যা বাংলা ভাষায় অনুবাদ করে নাম দেয়া হয়েছে কবীরা গুনাহ। এ বইটি মানুষের মাঝে ব্যাপক সাড়া জাগিয়েছে। মানুষ এ বইয়ের সাহায্যো প্রমাণসহ জানতে পারে আল্লাহ কি কি বিষয় নিষিদ্ধ করেছেন। বড় বড় গুনাহ চিহ্নিত করা ও সেগুলো থেকে বেঁচে থাকার ক্ষেত্রে এ বইটি একটি গুরুত্বপূর্ণ পথনির্দেশক।




রজব মাসকে কেন্দ্র করে কতিপয় নতুন আবিষ্কৃত আমল (বেদআত)

রজব মাসকে কেন্দ্র করে কতিপয় নতুন আবিষ্কৃত আমল (বেদআত)

রজব মাসকে কেন্দ্র করে কতিপয় নতুন আবিষ্কৃত আমল (বেদআত)
লেখকঃসানাউল্লাহ নজির আহমদ
সম্পাদনাঃ কাউসার বিন খালেদ
ইসলাম প্রচার ব্যুরো, রাবওয়াহ, রিয়াদ
Islamhouse.com
১. রজব মাসের রোজা :
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এবং তার সাহাবাদের থেকে রজব মাসের রোজার ফজিলতের ব্যাপারে প্রামাণ্য কোন দলিল নেই। তবে অন্যান্য মাসের মত এ মাসেও, সপ্তাহের সোমবার, বৃহস্পতিবার, মাসের তেরো, চৌদ্দ, পনেরো তারিখ, একদিন রোজা রাখা, পরের দিন না রাখা- সওয়াবের, বৈধ ও সুন্নত। ওমর রা. রজব মাসের রোজা হতে নিষেধ করতেন। কারণ, এতে ইসলাম-পূর্ব কুসংস্কারাচ্ছন্ন জাহেলি যুগের সাথে সামঞ্জস্য বিদ্যমান।
হাফেজ ইবনে হাজার রহ. বলেন, রজবের নির্দিষ্ট-অনির্দিষ্ট দিনের রোজা, কিংবা রজবের নির্দিষ্ট কোন রাতের রোজার ব্যাপারে প্রমাণ যোগ্য কোন সহিহ হাদিস বর্ণিত হয়নি। যে কয়টি সুস্পষ্ট অর্থবহ হাদিস বর্ণিত হয়েছে, তা দুভাগে বিভক্ত। জইফ বা দুর্বল, মওজু বা (বানোয়াট) জাল হাদিস। তিনি সব কয়টি হাদিস একত্র করেছেন, দেখা গেছে, ১১টি দুর্বল হাদিস, ২১টি জাল হাদিস।
ইবনে কাইয়ূম রহ. বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম লাগাতার তিন মাস (রজব, শাবান, রমজান) রোজা রাখেননি-যেমন কিছু লোক করে থাকে। রজবে কখনো রোজা রাখেননি, রোজা পছন্দও করেননি।
লাজনায়ে দায়েমার ফতওয়াতে আছে, রজবের কতক দিনকে রোজার জন্য নির্দিষ্ট করার ব্যাপারে আমাদের কোন দলিল জানা নেই।

শরীয়তের মানদণ্ডে ঈদে মিলাদুন্নাবী উদযাপন

শরীয়তের মানদণ্ডে ঈদে মিলাদুন্নাবী উদযাপন

শরীয়তের মানদণ্ডে ঈদে মিলাদুন্নাবী উদযাপন

মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ খান মাদানী
প্রসঙ্গ কথা:  মুসলিম সমাজের দিকে তাকালে দেখা যায় তারা যেন আজ দীন ধর্মকে শুধুমাত্র আনুষ্ঠানিক ইবাদাতের মধ্যে সীমাবদ্ধ করে ফেলেছে। রামাযান মাস চলে গেলে মাসজিদের নামাযীও চলে যায় এবং দান-খায়রাতের হাতও ছোট হয়ে আসে আর যারা বিত্তবান তারাতো অপেক্ষা করেন হাজ্জ মৌসুমের। সারাটি জীবন নামায, রোযা, হালাল হারাম হক না হক কোন কিছুর খবর নেই, শুধু অপেক্ষায় সেই হাজ্জ অনুষ্ঠানের, কবে তা সম্পাদন করে নামের সাথে আলহাজ্জ কথাটি যোগ করা যাবে? এসব হলো সাধারণ কথা, কিন্তু বর্তমান অত্যাধুনিক যুগে যেন আরেক রব উঠেছে, সাধারণ বেশে আর ইবাদাত হয় না, শুরু হয়েছে যাকজমক ও চমকের ফ্যাশান। কে কত যাকজমকের সাথে ইবাদাতের অনুষ্ঠানাদি পালন করতে পারে এরই প্রতিযোগিতা। ভেবে দেখলাম না এ ইবাদত নবী (সা) কর্তৃক প্রবর্তিত না অন্য কোন উৎস হতে উৎসারিত?

ঈদে মীলাদুন্নবী (শরীয়তের দৃষ্টিতে কতটুকু শুদ্ধ?)

ঈদে মীলাদুন্নবী (শরীয়তের দৃষ্টিতে কতটুকু শুদ্ধ?)

ঈদে মীলাদুন্নবী (শরীয়তের দৃষ্টিতে কতটুকু শুদ্ধ?)
কয়েক বছর পূর্বে রাজধানীর ধানমন্ডি এলাকার এক মসজিদে উপস্থিত হলাম প্রতিদিনের মত এশার নামাজ আদায় করতে। দেখলাম আজ মসজিদ কানায় কানায় পূর্ণ। অন্য দিনের চেয়ে কম হলেও মুসল্লীদের সংখ্যা দশগুণ বেশী। সাধারণত এ দৃশ্য চোখে পড়ে রমজান ও শবেকদরে। মনে করলাম হয়তো আজ কারো বিবাহ অনুষ্ঠান কিংবা জানাযা। এত লোক সমাগমের কারণ জিজ্ঞেস করলাম ইমাম সাহেবকে। তিনি বললেন আজ ১২ই রবিউল আউয়ালের রাত। মীলাদুন্নবীর উৎসবের রাত।
সম্মানিত পাঠক!
এ রাত ও পরবর্তী দিন ১২ ই রবিউল আউয়াল অত্যন্ত জাকজমকপূর্ণভাবে এক সময় পালিত হত বৃহত্তর চট্রগ্রাম, নোয়াখালী,ও সিলেটের কিছু অঞ্চলে। দেশের অন্যান্য এলাকায়ও পালিত হত তবে তুলনামুলক কম গুরুত্বে । এ রাতে খাওয়া-দাওয়া,আনন্দ উৎসবে মুখর হয়ে উঠে অনেক পাড়া-মহল্লা। যারা এটা পালন করে তাদের উৎসব মুখরতা দেখলে মনে হবে নিশ্চয়ই এটা হবে মুসলিমদের সবচেয়ে বড় উৎসবের দিন। আর এটা তাদের অনেকে বিশ্বাসও করে। তাইতো শ্লোগান দেয়, দেয়ালে লিখে সকল ঈদের সেরা ঈদ, ঈদে মীলাদ।

কুরআন তিলাওয়াত বা অন্যান্য ইবাদাতের সাওয়াব কি মৃত ব্যক্তির নিকট পৌঁছে?

কুরআন তিলাওয়াত বা অন্যান্য ইবাদাতের সাওয়াব কি মৃত ব্যক্তির নিকট পৌঁছে?

কুরআন তিলাওয়াত বা অন্যান্য ইবাদাতের সাওয়াব কি মৃত ব্যক্তির নিকট পৌঁছে?
প্রথম ফতোয়া
প্রশ্ন : সূরা ইখলাস পাঠ করে কেউ যদি মৃত ব্যক্তিকে ঈসালে সাওয়াব করে, তাহলে মৃত ব্যক্তি কি উপকৃত হবে? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কবরের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় কি করতেন, কবরবাসীর জন্য তিনি কি তিলাওয়াত করতেন, না শুধু দোয়া করতেন?
উত্তর :
প্রথমত : কেউ যদি কুরআন তিলাওয়াত করে মৃত ব্যক্তিকে ঈসালে সাওয়াব করে, আলেমদের বিশুদ্ধ মতানুযায়ী এ সাওয়াব মৃত ব্যক্তির নিকট পৌঁছায় না, কারণ এটা মৃত ব্যক্তির আমল নয়। আল্লাহ তাআলা বলেছেন :
وَأَنْ لَيْسَ لِلْإِنْسَانِ إِلَّا مَا سَعَى
{আর এই যে, মানুষ যা চেষ্টা করে, তাই সে পায়।} {সূরা নাজম: ৩৯}
এ তিলাওয়াত জীবিত ব্যক্তির চেষ্টা বা আমল, এর সাওয়াব সে নিজেই পাবে, অন্য কাউকে সে ঈসালে সাওয়াব করার অধিকার রাখে না। এ সংক্রান্ত সৌদি আরবের ইলমি গবেষণা ও ফতোয়ার স্থায়ী ওলামা পরিষদএর একটি বিস্তারিত ফতোয়া রয়েছে, নিচে তা উল্লেখ করা হলো :
প্রশ্ন : কবর জিয়ারতের সময় সূরা ফাতেহা পাঠ করা, অথবা কুরআনের কোন অংশ পাঠ করা কি বৈধ, আর এর দ্বারা সে কি উপকৃত হবে ?

বিদ‘আতের দশটি কুফল

বিদআতের দশটি কুফল

আবদুল্লাহিল হাদী বিন আবদুল জলীল / 
বিদআতের দশটি কুফল

এমন অনেকের সাক্ষাত পাবেন যারা ইসলামী চেতনায় সমৃদ্ধ। কিন্তু বলেন, বিদআতের বিরোধিতায় এত বাড়াবাড়ির কি দরকার? কেহ একটু মীলাদ পড়লে, কুলখানি বা চল্লিশা-চেহলাম পালন কিংবা এ জাতীয় কিছু করলে দ্বীন ইসলামের কি এমন ক্ষতি হয়ে যায়?

বিদআতের প্রভাবে জাতি কী হারিয়েছে?

বিদআতের প্রভাবে জাতি কী হারিয়েছে?

বিদআতের প্রভাবে জাতি কী হারিয়েছে?
লেখক: আব্দুল্লাহ আল বাকী

প্রিয় পাঠক! বিদআতের প্রভাবে জাতী কি হারিয়েছে তা লিখে হয়তো ফুটিয়ে তুলতে পারব না; তবে বড় বড় কয়েকটি ক্ষতি এখানে উল্লেখ করলাম। বাকী গুলো আপনাদের পারিপার্শ্বিকতা দেখে এবং বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে তালিকাটা পূর্ণ করে নিবেন।
১. বিদআতের প্রভাবে জাতী ঐক্য ও সংহতি হারিয়েছে- দলাদলি, কোন্দল, হিংসা প্রতিহিংসা ছড়িয়ে পড়েছে। সুন্নত বিদআতের ধন্ধে কত মসজিদ ভেঙ্গেছে, কত পিতা-পুত্রের সম্পর্ক ছিন্ন হয়েছে। কত আলেম সুন্নতের প্রচার করতে গিয়ে বয়কটের শিকার হয়েছে; এর হিসেব করাই মুশকিল।
২. শক্তি ও প্রভাব বিনষ্ট হয়েছে দুর্বলতা চির সাথী হয়েছে।
৩. মুসলিম জাতির মর্যাদা সর্বত্র ভূলুণ্ঠিত হয়েছে এবং হচ্ছে খোদ মুসলিমগণই এখন আর এক দলের সদস্য অপর দলের সদস্যকে সম্মান করেন না।
৪. দ্বীনের মর্যাদা খাটো হয়েছে- এখন সঠিক আমলের কথা বললেও মানুষ বিশ্বাস করতে চায়না।
৫. দ্বীনের আসল পরিচয় বিকৃত হয়েছে- কোনটা আসল আর কোনটা বিদআত এ নিয়ে জনগণের কাছে এক বিরাট ধূমজাল সৃষ্টি হয়েছে।
৬. দ্বীনের দাওয়াত অবহেলিত হয়েছে বিদআতের প্রচার ক্রমেই ছড়িয়ে পড়ছে। সহীহ সুন্নতের প্রচারকগণ অবহেলার স্বীকার হলেও বিদআতী বক্তাদের কদরের যেন সীমা নেই।
৭. দীনি আমল শিথিল হয়েছে। সুন্নত ও বিদআতের নিত্য-নতুন বিতর্ক দেখে সুযোগ সন্ধানী অনেক লোক আমলই ছেড়ে দিয়েছে।
৮. সুন্নতের উপর মহব্বত কমেছে- বিদআতের উপর মোহাব্বত বেড়েছে। ফলে আজ অনেক মুসলিম বিদআত প্রতিষ্ঠা করার জন্য বুকের তাজা রক্ত ঢেলে দেয়ার জন্য প্রস্তুত রয়েছে তথাপি সুন্নতকে সমাজে প্রতিষ্ঠিত হতে দেবেনা।
৯. বিদআতের কারণে আজ আল্লাহ, আল্লাহর রাসূল ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম , পবিত্র কুরআন, সহীহ সুন্নাহ্, আলেম, মাদ্রাসা, মসজিদ ও দীনি শিক্ষা ইত্যাদির উপর মুসলমানদের আস্থা, ভক্তি ও আকর্ষণ হ্রাস পেয়েছে। ভক্তি, আস্থা ও আকর্ষণ বেড়েছে কবর, মাযার, দরগা, খানকা, পীর, ফকীর, বাউল ইত্যাদির উপর। যার ফলে মুসলমান জাতী অসংখ্য ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র টুকরায় বিভক্ত হয়েছে এবং তাদের সার্বিক অবস্থা অত্যন্ত নড়বড়ে ও নাজুক হয়ে পড়েছে।
সুতরাং মুসলমানদের হারানো  ঐতিহ্য ফিরে পেতে হলে বিদআত পরিহার করে আবার আমাদেরকে সহীহ সুন্নতের দিকে ফিরে যেতে হবে ।
আল্লাহ আমাদেরকে সিরাতে মুস্তাকীমের উপর পরিচালিত করুন! আমীন!!

লেখক: দাঈ ও গবেষক, পূর্ব জেদ্দা (কিলো-১৪) ইসলামিক সেন্টার, সউদী আরব।

শুধু ’আল্লাহু’ ’আল্লাহু’ বলে জিকির করা কি শরীয়ত সম্মত?

শুধু আল্লাহু’ ’আল্লাহুবলে জিকির করা কি শরীয়ত সম্মত


শুধু আল্লাহু’ ’আল্লাহুবলে জিকির করা কি শরীয়ত সম্মত?
এ বিষয়ে তিনটি ফতোয়া ও কিছু প্রশ্নোত্তর:
আজকাল আমাদের সমাজের অনেক কথিত হাক্কানি পীরএবং আল্লামাদের কিতাবে দেখা যায় যে, তাঁরা তাঁদের ভক্ত-আশেকানদের কে অসম্পূর্ণ বাক্য আল্লাহ্‌-আল্লাহ্‌শব্দ দ্বারা জিকির করতে বলেন! এ-ব্যাপারে সৌদি আরবের বর্তমানে অদ্বিতীয় আলেমে দ্বীন শাইখ সালিহ আল ফাওযানযাকে পুরো আরব বিশ্বের তালেবে এলেম তথা ইসলাম চর্চাকারীরা চেনেন না এমন কোন আরব নেই! তাকে জিজ্ঞাসা করা হয়, এইভাবে, ‘আল্লাহ-আল্লাহঅসম্পূর্ণ বাক্য দ্বারা জিকিরের হুকুম কি! এর জবাবে উনি যা বলেন, তা নিন্মে পেশ করছিঃ

কবর, মাযার ও মৃত্যু সম্পর্কীত কতিপয় বিদ’আত

কবর, মাযার ও মৃত্যু সম্পর্কীত কতিপয় বিদআত


কবর, মাযার ও মৃত্যু সম্পর্কীত কতিপয়


 আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,
আকাশে ঘন কালো মেঘের আড়ালে অনেক সময় সূর্য্যের কিরণ ঢাকা পড়ে যায়। মনে হয় হয়ত আর সূর্য্যের মুখ দেখা যাবে না। কিন্তু সময়ের ব্যাবধানে নিকশ কালো মেঘের বুক চিরে আলো ঝলমল সূর্য্য বের হয়ে আসে। ঠিক তেমনি বর্তমানে আমাদের সমাজের দিকে তাকালে দেখা যাবে বিদআতের কালিমা ইসলামের স্বচ্ছ আসমানকে ঘিরে ফেলেছে। যার কারণে কোন কাজটা সুন্নাত আর কোন কাজটা বিদআত তা পার্থক্য করাটাই অনেক মানুষের জন্য কঠিন হয়ে গেছে। যা হোক শত রকমের বিদআতের মধ্য থেকে এখানে শুধু কবর, মাযার ও মৃত্যু সম্পর্কীত কয়েকটি প্রসিদ্ধ বিদআত তুলে ধরা হল। যদিওএ সম্পর্ক আরও অনেক বিদআত আমাদের সমাজে প্রচলিত আছে। যদি এতে আমাদের সমাজের বিবেকবান মানুষের চেতনার দুয়ারে সামান্য আঘাত হানে তবেই এ প্রচেষ্টা সার্থক হবে।
১) মৃত্যুবার্ষিকী পালন করা:

বই : একজন মাজার ভক্তের জবানবন্দী

বই : একজন মাজার ভক্তের জবানবন্দী

একজন মাজার ভক্তের জবানবন্দী

শয়তান যেহেতু মানুষের শত্রু যে যুগে যুগে মানুষকে এমনভাবে প্রতারিত করেছে যেন মানুষ কোনক্রমেই শিরক ও বিদআত মুক্ত ইবাদত করতে না পারে।এজন্য শয়তান বিভিন্ন পন্থায় ভাল কাজের মধ্যে শিরক ও বিদআত যুক্ত করে দিয়ে আল্লাহ্‌র কাছে অপছন্দনীয় করে তুলেছে।যেমন, কবর যিয়ারত করা সুন্নত, কিন্তু কবরবাসীর কাছে কিছু চাওয়া বা সাহায্য প্রার্থনা করা শিরক। প্রফেসর আব্দুল মুনেম আল-জাদভীর (এতেরাফাত কুনতু কুবুরিয়ান) মাযারভক্তের জবানবন্দীনামক পুস্তিকাটিতে তিনি খুব সহজ ভাষায় সামজিক ও ধর্মীয় কতিপয় কুসংস্কারের আলোচনা করেছেন।
·                     অনুবাদ: মুহাম্মদ আফলাতুন হুসাইন।
·                     সম্পাদনায়: মুহাম্মদ মুকাম্মাল হক।
·                     পৃষ্ঠা সংখ্যা ৩৩।
·                     (পিডিএফ-সাইজ ২২৮কেবি)


·                     সরাসরি ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করুন। 


Saturday, September 16, 2017

তাফসীরুল উশরুল আখীর

তাফসীরুল উশরুল আখীর


মুসলিম জীবনের গুরুত্বপূর্ণ বিধান সহ
বিশুদ্ধ আকীদা নির্ভর এটি একটি অত্যন্ত প্রয়োজনীয় বই। এতে একজন মুসলিম দৈনন্দিন জীবনে কুরআন, তাফসীর, আকীদাহ, মাসআলা-মাসায়েল ও ফাযায়েল সংক্রান্ত যে সকল বিষয়াদির প্রয়োজন অনুভব করে সেগুলো খুব সুন্দরভাবে আলোচিত হয়েছে। বইটি দুভাগে বিভক্ত। প্রথম ভাগে স্থান পেয়েছে সূরা ফাতিহা সহ আল কুরআনুল কারীমের শেষ তিন পারা তথা সূরা মুজাদালা (৫৮ নং সূরা) থেকে সূরা নাস পর্যন্ত মোট ৪৭ টি সূরার সরল বাংলা অনুবাদ।
আর দ্বিতীয় ভাগে একজন মুসলিমের জন্য অতি গুরুত্বপূর্ণ  বিভিন্ন বিধি-বিধান আলোচিত হয়েছে। যেমন:
·                     তাজবীদ তথা বিশুদ্ধ রূপে কুরআন পাঠের নিয়ম-কানুন।
·                     আকীদা বিষয়ক অতি গুরুত্বপূর্ণ ৬২টি প্রশ্নোত্তর।
·                       তাওহীদ বিষয়ক একটি অন্তরঙ্গ সংলাপ।
·                      ‘লা ইলাহা ইল্লালাহ মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহএর সারগর্ভ ব্যাখ্যা।
·                     পবিত্রতা তথা পানির বিধান, ওযু, গোসল, তায়াম্মুম, মোজার উপর মাসেহ, মহিলাদের হায়েজ, নেফাস, রক্তপ্রদর রোগ ইত্যাদি মাসায়েল।
·                     বিভিন্ন প্রকার নামাযের বিস্তারিত বিধি-বিধান। 
·                     যাকাতের বিস্তারিত আলোচনা।
·                     রোযার মাসায়েল।
·                     হজ্জ ও উমরার প্রয়োজনীয় হুকুম-আহকাম।
·                     বিবাহ, তালাক, ইদ্দত ইত্যাদি।
·                     কসম ও কাফফারা ইত্যাদি।
·                     মান্নত, যাদু-টোনা, ঝাড়-ফুঁক।
·                     জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় দুয়া ও জিকির (অর্থ সহ)।
·                     ৬৯টি নিষিদ্ধ বা হারাম বিষয়ের আলোচনা।
·                     আখেরাতের বিভিন্ন ধাপের একটি বিবরণ।
·                     সর্বোপরি সচিত্র সহ ওযু ও নামায শিক্ষা।
মোটকথা, বইটি প্রতিটি মুসলমানের জন্য নিত্য প্রয়োজনীয় এবং অতি গুরুত্বপূর্ণ।
বইটি আরবী ভাষায় প্রস্তুত করেছেন একদল অভিজ্ঞ আলেম এবং গবেষক। বাংলায় অনুবাদ করেছেন বিশিষ্ট দাঈ ও গবেষক শাইখ মুহা: আব্দুল্লাহ আল কাফী। তাফসীরটি বাংলা সহ পৃথিবীর বিভিন্ন ভাষায় অনুবাদ সম্পন্ন হয়েছে। এ বিশাল প্রকল্পটি পরিচালনা করছে: সউদী আরবের রিয়াদে অবস্থিত ওল্ড সানাইয়া দাওয়াহ এন্ড গাইডেন্স সেন্টার। পৃষ্ঠা সংখ্যা ১৭৯।
·                    

বইটি বাংলা (পিডিএফ ভার্সন) ডাউন লোড করতে